বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম : :
শিরোনাম : :
উৎসবমুখোর পরিবেশে সিংগাইরে কাংশা প্রিমিয়ারলীগের শর্টপিচ ক্রিকেটের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত মানিকগঞ্জ–২ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মান্নানের মনোনয়নপত্র দাখিল মানিকগঞ্জ–২ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেন শান্ত সিংগাইরে ১০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার মানিকগঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী শরীফ হোসাইন সিংগাইর উপজেলা প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ওসির মতবিনিময় মানিকগঞ্জ টিআরইউ’র সভাপতি খোরশেদ, সাধারণ সম্পাদক লিটন গ্রামীণ সড়ক কোর রোড নেটওয়ার্ক বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত সিংগাইরে হেযবুত তাওহীদের ফিতনা প্রতিরোধে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সিংগাইরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৬ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

একাধিক হত্যা মামলার আসামি প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও ধরছে না পুলিশ

Reporter Name / ২৩৮ Time View
Update : বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন

সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সিংগাইরে একাধিক হত্যা মামলার আসামি আব্দুল জলিল কোম্পানি দিনের বেলায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার না করায় এলাকাবাসীর মনে নানা প্রশ্ন উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, জলিল আগের চেয়ে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছেন, কিন্তু পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারে তৎপর নয়।

গত বৃহস্পতিবার উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের রামকান্তপুর গ্রামের ভুক্তভোগী ফরিদ হোসেন বাদী হয়ে জলিলসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপারের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্ত জলিল উপজেলা বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সিনিয়র সহসভাপতি। অভিযোগ রয়েছে, এই প্রভাব খাটিয়ে তিনি নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছেন না। লাইসেন্স ছাড়াই এলাকায় দুটি ইটভাটা চালিয়ে আসছেন। ওই ভাটার ধোঁয়ায় এলাকাবাসী স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন এবং ফসলের ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়ছে। পাশাপাশি ইটভাটার জন্য ফসলি জমি থেকে মাটি কাটা হচ্ছে, এতে পার্শ্ববর্তী জমিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ নিয়ে ফরিদ হোসেন ও তার চাচা আশ্রব আলী পরিবেশ অধিদপ্তরে অভিযোগ করলে গত ১৪ নভেম্বর অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা তদন্তে আসেন। এই ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে জলিল ও তার সহযোগী সফুর উদ্দিন, মিজানুর রহমান, সাইদুর এবং মিলন অভিযোগকারীকে গালিগালাজ ও মারধর করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

স্থানীয়দের অনেকে জানান, জলিল বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের একজন সুবিধাভোগী এবং গোবিন্দল এলাকার একটি হত্যা মামলার ৮৪ নম্বর আসামি। তিনি এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করছে না।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল জলিল কোম্পানি মারধরের কথা অস্বীকার করে বলেন, “অফিসের চেয়ার কেনার জন্য মহিলা মেম্বার রোখসানার ছেলে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের কমিটিতে আমার নাম দিয়েছে।”

সিংগাইর থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর বলেন, “জলিল কোম্পানি যদি এজাহারভুক্ত আসামি হন এবং তাঁর বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণের মতো তথ্য থাকে, তাহলে অবশ্যই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে।”

অভিযোগ রয়েছে, আশুলিয়া ও ঢাকায় আব্দুল জলিলের নামে হত্যা মামলা আছে এবং তিনি সিংগাইর থানার পুলিশকে ‘ম্যানেজ’ করে চলছেন। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর আশুলিয়া থানায় আব্দুল জলিলের নামে একটি মামলা (নম্বর ৬৩/৬২৬) দায়ের করা হয়েছিল।


More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর